প্রিন্ট এর তারিখঃ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
||
প্রকাশের তারিখঃ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
প্যানেলের দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে রায় ঘোষণা শুরু হয়ে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৫৫৭ পৃষ্ঠার রায়ের মধ্যে সংক্ষিপ্ত অংশ পড়েন চেয়ারম্যান।
এ মামলার রায় পড়ার শুরুতেই ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলেরও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
প্যানেলের দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে রায় ঘোষণা শুরু হয়ে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৫৫৭ পৃষ্ঠার রায়ের মধ্যে সংক্ষিপ্ত অংশ পড়েন চেয়ারম্যান।
এ মামলার রায় পড়ার শুরুতেই ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলেরও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত।
সবশেষে নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানেরও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার সব আসামিই পলাতক।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম ও গাজি এমএইচ তামিম। মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও আইনজীবী ইসরাত জাহান।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম ও গাজি এমএইচ তামিম। মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও আইনজীবী ইসরাত জাহান।
এর আগে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ চেয়েছেন প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)। আর আসামি পক্ষ থেকে তাদের খালাস চাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে এই মামলায় আসামি ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম। আর ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ও যুবলীগ সভাপতি-সম্পাদকের পক্ষে শুনানি করেন ইশরাত জাহান।
উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ থাকার পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের দিন ঠিক করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ থাকার পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের দিন ঠিক করেন।
© 2026 দিগন্ত বার্তা. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।