Girl in a jacket

ময়মনসিংহ বিভাগে এক মাসে করোনায় আক্রান্ত ১২৫৯, মৃত্যু ১৬

0

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
করোনাভাইরাসের হটসপট এখনও ময়মনসিংহ। কিছুদিন কম থাকলেও গত ঈদের পর থেকে আবারো আক্রান্ত, মৃত্যু, ঝুঁকি, আতংক এই বিভাগে সবই বাড়ছে। সরকার বাইরে সকলকে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করলেও অধিকাংশ মানুষই মাস্ক পড়ছে না। করোনায় ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত এই বিভাগে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার হাজার ৮০৪জন এবং পর্যন্ত সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫,০০০ জন। তন্মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে ৬৬ জন । এপর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় ৫৫ হাজার ৮৪১টি নমুনার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আগষ্ট মাসে চার জেলায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ৬০৪টি তন্মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ১২৫৯জন এবং সুস্থ্য হয়েছেন ১৪৫২জন এবং মারা গেছে ১৬জন।
অকারণ ঘোরাঘুরি, শপিংসহ সবকিছু খুলে দেয়ার প্রেক্ষিতে অবাধ চলাচলের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ জানান। গণপরিবহন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য চলছে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করে করোনায় আক্রান্ত রোগীরা বাইরে ঘুরাঘুরি করার প্রেক্ষিতে করোনা সংখ্যা দিন দিন ব্যাপক হারে বাড়ছে। দ্রæত আক্রান্তের লাগাম ধরে টানতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে জনগণকে বাধ্য করা ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান।
প্রশাসন ক্যাডারের ১১তম ব্যাচের সুদক্ষ কর্মকর্তা ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান এবং শেরপুরের পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম ও তার স্ত্রী আলেয়া ফেরদৌসীসহ পরিবারের সদস্যরা করোনায় আক্রান্ত হলেও তারা সুস্থ্য হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য ডাঃ মোঃ আবুল কাশেম জানান, করোনায় আক্রান্ত জেলাওয়ারী ময়মনসিংহে ৩,৩৪৮জন, নেত্রকোনায় ৬৮৫, জামালপুরে ১,৩৪২ জন, জন এবং শেরপুরে ৪২৯ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫,০০০ জন। বর্তমানে মোট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৭০২জন। এনিয়ে বিভাগে সর্বমোট মারা গেছেন ৬৬ জন। এরমধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৩১ জন, নেত্রকোনা জেলায় ৬ জন, জামালপুরে ২১ জন এবং শেরপুর জেলায় ৮জন।
স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় পরিষদের ময়মনসিংহ বিভাগীয় করোনা মনিটরিং সেলের সমন্বয়ক, বি.এম.এ ময়মনসিংহ জেলা শাখা ও বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন, ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এইচ. এ. গোলন্দাজ জানান, সরকার মাস্ক বাধ্যতামূলক করলেও এখনো মাস্ক পড়ছে না। গণপরিবহন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য চলছে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করে করোনায় আক্রান্ত রোগীরা বাইরে ঘুরাঘুরি করার প্রেক্ষিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন ব্যাপক হারে বাড়ছে। দ্রæত আক্রান্তের লাগাম ধরে টানতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে জনগণকে বাধ্য করা ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।

Share.

Comments are closed.