Girl in a jacket

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের জনকল্যাণমূখী বিভিন্ন অভিযানে খুশী সাধারণ মানুষ

0

জহিরুল কাদের কবীর, স্টাফ রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহে জলাবদ্ধতা নিরসন,সড়কের নিরাপত্তায়, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করণে, খাদ্যের ভেজাল নিয়ন্ত্রণে, অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদসহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ  জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন অভিযানে জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানাচ্ছেন ময়মনসিংহবাসী। এসব অভিযান অব্যাহত রাখতেও দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অভিযান সফল করায় জনগণের প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠেছেন ডিসি মিজানুর রহমান নেতৃত্বাধীন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। 

সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে  “সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮” প্রয়োগ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারার কার্যকর প্রয়োগ করাসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগ করে জনগণের কল্যাণে প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করণ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন ভাবে প্রশাসনিক সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিচ্ছেন জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান।

সুত্র মতে জানা যায়, জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার কালাদহ গ্রামের মৃত হাজী জয়নাল আবেদীন খানের ছেলে মো: মোশারফ হোসেন, বিল্লাল হোসেন, গোলাম ছামদানী ও মো: মফিজ উদ্দিনের ছেলে আশিকুর রহমান মিলে মাছ চাষের জন্য ফিসারি করে পানি নিস্কাসনে বাঁধা, কালভার্টের মুখে অবৈধ ঘরসহ ফিসারি/পুকুর নির্মাণ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা তৈরী করলে সাধারণ  মানুষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে 

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মোসা: নিকহাত আরার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে ৩দিনের মধ্যে তা অপসারণ করে জনগণ চলাচলের রাস্তার ক্ষতিসাধন হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন গত ৪ঠা আগষ্ট।

তবে অভিযুক্তরা সেই আদেশ অমান্য করায় ১০ই আগষ্ট  সোমবার জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.টি.এম আরিফ ঘটনাস্থলে গিয়ে দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ২৯১ ধারা মোতাবেক  অবৈধ ঘর উচ্ছেদ, কালভার্টের মুখ খুলে দেওয়া সহ দায়ী মোশারফ হোসেন কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসনের এই  অভিযানকে সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা  জানিয়েছেন ভোক্তেভোগি জনগণ। 

জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে-জলাবদ্ধতা তৈরী করে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে যারা লাভবান হতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারার কার্যকর প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নিয়েছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসন। এতে জলাবদ্ধতা নিরসনের মাধ্যমে সাধারণ  মানুষ উপকৃত হচ্ছে। স্বস্থি ফিরে এসেছে মানুষের মাঝে। ইতিপুর্বে মানুষের সুবিধার্থে ময়মনসিংহ জেলায় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারার কার্যকর প্রয়োগ হয়নি কখনো। যে কারণ প্রভাবশালী কতিপয় ক্ষমতাসীন ব্যক্তিরা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ভূমি দখলে নিয়ে জলাবদ্ধতা তৈরীর সাহস পেয়ে মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলতো। সম্প্রতি ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান  তার মেধাবী চেষ্টায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে প্রথম বারের মত ময়মনসিংহ জেলায় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারার প্রয়োগের মাধ্যমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা দূর করার কাজে হাত দিয়েছেন। এই আইন প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে তার নির্দেশে জেলার ফুলবাড়িয়া ও নান্দাইলসহ অনেক এলাকায় স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এসিল্যান্ড,নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগণ ইত্যোমধ্যে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে  অভিযান শুরু করেছে, যা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন- রাতারাতি হয়তো সব সমস্যা সমাধান হবে না, কিন্তু এই কাজে তিনি সকলকে পাশে পাশে থেকে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন- লোভ যেন আমাদের আত্নাগুলোকে বিষাক্ত না করে আর অশুভ প্রভাবশালী চক্র যেন মাথা তুলে দাড়াতে না পারে- সেজন্য সকলের নৈতিক সমর্থন ও সহায়তা চাই। এব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কাছে সংশ্লিষ্ট স্পটে থেকে  প্রতি বুধবারের অনলাইন গণশুনানিতে অভিযোগ জানানোর জন্য আহবান জানান ।Attachments area

Share.

Comments are closed.