Girl in a jacket

ময়মনসিংহে ফসলি জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

0

মো.জাকির হোসেন,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকার ফসলি মাঠ থেকে ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। এতে শত শত বিঘা জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে উর্বরতা হারিয়ে অনাবাদি হয়ে পড়ছে আবাদি জমি। কমতে শুরু করেছে ফসলের উৎপাদন।
স্থানীয় মাটি খেকো সিন্ডিকেটর সহযোগিতায় ইটভাটার মালিকরা কৃষকদের প্রলোভন দেখিযে এস্কোভেটর মেশিন দিয়ে এসব ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। এরপরও স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সদর উপজেলার দাপুনিয়া গোষ্টা দক্ষিণ পাড়া ও পশ্চিম পাড়া কয়েকটি স্থানে এস্কোভেটর মেশিনের মাধ্যমে ড্রাম ট্রাক দিয়ে ফসলি জমির মাটি বিভিন্ন ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জমির মালিকরা না বুঝেই তা ইটভাটার মালিকদের কাছে বিক্রি করছেন। এতে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি কমতে শুরু করলেও এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সতর্ক করা হচ্ছে না।
স্থানীয় কয়েকজন  কৃষক অভিযোগ করে বলেন, ভেকু (এস্কোভেটর) মেশিন দিয়ে সরিষা ক্ষেত ও বোরো চারা ধানের জমির মাটি প্রায় ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীর করে কেটে ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে পাশের কৃষকের ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। এতে বাঁধা দিতে গেলে মাটি ব্যবসায়ীরা উল্টো বিভিন্ন হুমকি দেন।
বেশি টাকা পাওয়ার কারণে অনেকে জমির উপরিভাগের (টপ সয়েল) উর্বরতা শক্তি মাটি বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে ওই জমিতে আগের মতো আর ফসল হবে কি-না তা তারা জানেন না।
মাটি খেকো সিন্ডিকেটরা উর্বরতা শক্তি ফসলি জমির মাটি নিয়ে যেমন ক্ষতি করছে। তেমনি ক্ষতি করছে ড্রাম ট্রাক ভর্তি মাটি পরিবহণ করে সদ্য নির্মিত দাপুনিয়া – চন্দ্রের বাজার পাকা রাস্তার। মাটি খেকো সিন্ডিকেট প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।
এসব মাটি খেকো সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে আগামীতে খাদ্য ঘাটতিসহ ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। 

Share.

Comments are closed.