Girl in a jacket

ভালুকায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় উজ্জল মোল্লা নামে আরো একজন গ্রেফতার

0

ভালুকায় স্কুল ছাত্রী কানিজ ফাতেমাকে (১৭) ধর্ষণ ও হত্যা করে লাশ খিরু নদীতে ফেলে দেয়ার  ঘটনায় উজ্জল মোল্লা (৩২) নামে আরো এক ঘাতককে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। উজ্জল মোল্লা উপজেলার কাঠালী গ্রামের শাবু মোল্লার ছেলে। এ নিয়ে হত্যার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মনির
হোসেন (২৩) ও জামাল  হোসেনকে (২৫) বৃহস্পতিবার আদালতে  প্রেরণ করা হলে, তারা স্বীকারেক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রঞ্জন কুমার ভৌমিক আরো জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জহির হোসেনের ছেলে মনির
হোসেন (২৩) ও একই এলাকার আয়ুব আলী শেখের ছেলে জামাল হোসেনকে (২৫)
গ্রেফতার করার পর তাদের স্বীকারোত্তিতে উজ্জল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৪ জুন রবিবার বিকেলে উপজেলার খারুয়ালী কালেঙ্গারপাড় এলাকায় খীরু
নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় হাত-পা বাঁধা এক নারীর লাশ উদ্ধার করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। পরে এস আই আবু তালেব বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রঞ্জন কুমার ভৌমিক ও এস আই ইকবাল হোসেন
তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারেন উপজেলার মামারিশপুর গ্রামের ওমর ফারুকের
মেয়ে কানিজ ফাতেমা (১৭)। পরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে
ঘটনার সাথে জড়িত পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের জহির হোসেনের ছেলে মনির
হোসেন ও একই  এলাকার আয়ুব আলী  শেখের  ছেলে জামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি মতে অভিযান
চালিয়ে বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় একই এলাকার শাবু মোল্লার ছেলে উজ্জল মোলাকে (৩২)
 গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রঞ্জন কুমার ভৌমিক জানান, ৩
জুন রাতে আসামীরা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কানিজ ফাতেমাকে পৌরসভার
২নম্বর ওয়ার্ডে আজিজু হকের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পালার বাগানের ভিতর
ফাঁকা জায়গায় সকল আসামীরা একত্রিত হয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ
করে এক পর্যায়ে ভিকটিম ডাকচিৎকার শুরু করলে আসামীরা বেল্ট দিয়ে ভিকটিমের
গলায় শাসরুদ্ধ করে হত্যার পর লাশ গোমের উদ্দেশ্যে খিরু নদীতে ফেলে দেয়। ১৪ জুন লাশ
উদ্ধারের পর বেওয়ারিশ হিসেবে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়না
তদন্ত শেষে ১৫ জুন আনজুমান মফিদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠান লাশটি দাফন করেন।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন জানান,
লাশের পরিচয় সনাক্তের পর ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা
হয়েছে ও আরও ১ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারের
অভিযান চলছে।

Share.

Comments are closed.