Girl in a jacket

ভালুকায় মেদুয়ারী ইউনিয়নে ভিজিফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে-চেয়াম্যান রাণীসহ দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ

0

স্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তাঃ-

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের (ডিডিএম) বরাদ্দকৃত অতিদরিদ্রদের জন্য ঈদ উপলক্ষ্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাউল বিরতণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে । সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ কতিপয় ব্যক্তির অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে অনেকেই চাল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এরই জের হিসেবে ২২ জুলাই বুধবার দুপুরে উপজেলা নিবাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল ছুটে যান। পরে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী ও আকাব্বর নামে এক দফাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়।

চাউল বিতরণের তৃতীয়দিন বুধবার (২২জুলাই) বিকেলে উপজেলার ২নম্বর মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ কার্যক্রমের সময় চাল নিতে আসা প্রায় ৩০০ কার্ডধারী চাউল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশসহ হৈ হোল্লোড় শুরু করেন। ওই ইউনিয়নে ৪ হাজার ৮৩ জন কার্ডধারীকে ১০ কেজি করে চাউল দেয়ার কথা, কিন্তু প্রায় ৩০০ কার্ডধারী চাল না পেয়ে খালি হাতেই ফিরে যেতে হয়েছে। ভূক্তভোগীদের অভিযোগ, এনিয়ে মেদুয়ারী ইউনিয়নে একাধিকবার চাউল বিতরণে অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও বার বার পার পেয়ে যায় দুনীতিবাজরা।

ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অভিযোগ তাদের না জানিয়ে চেয়ারম্যান নিজেই চাউল উত্তোলনসহ বিতরণ করেছেন। এতে করে অনেকেই চাল না পেয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ নিয়ে এসেছেন ।

ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রাণী বলেন, এই বিষয়ে আমার কোন ধারনা নেই। তবে ৭৫ জনকে চাউল দিতে পারিনি ।

তদারকি অফিসারি (ট্যাক অফিসার) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুয়েল আশরাফ জানান,  বিতণের এক পর্যায়ে চাউল শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০০ কার্ডধারীকে চাউল দেয়া সম্ভব হয়নি।

পরে খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন জানান, ভিজিএফ এর ২৩০ বস্তা চাল পাওয়া না যাওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী ও আকাব্বর হোসেন নামে এক দফাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানায় আনা হয়েছে।  

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, আমি খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, তদন্ত সাপেক্ষে যদি সত্যতা প্রমানিত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে, অবশ্যই অপরাধ প্রমানিত হলে শাস্তি অনিবার্য্য । মডেল থানা পুলিশ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ইউপি চেয়াম্যান জেসমিন নাহার রাণী ও চৌকিদার আলী আকবরকে থানায় নিয়ে আসে ।

Share.

Comments are closed.