Girl in a jacket

ভালুকায় ফ্যাক্টরীর ভেতর থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার

0

স্টাফ রির্পোটার, দিগন্তবার্তাঃ- ময়মনসিংহের ভালুকায় জুবায়ের এ্যান্টারপ্রাইজ নামক মোটরসাইকেলের হেলমেট নির্মাণকারী একটি ফ্যাক্টরীর ভেতর থেকে ছালমা আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। ২৪ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় ফ্যাক্টরীর ভেতরে টিনসেট একটি টয়লেট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
লাশ উদ্ধারকারী ভালুকা মডেল থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, সংবাদ পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার মামারিশপুর গ্রামে অবস্থিত জুবায়ের এ্যান্টারপ্রাইজ নামক একটি মোটরসাইকেলের হেলমেট নির্মাণকারী ফ্যাক্টরীর ভেতরে দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত টিনসেট কোয়ার্টারের একটি টয়লেট থেকে ছালমা আক্তার নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ছালমা আক্তার কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামঈন উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের কাছম আলীর মেয়ে।
ফ্যাক্টরীর কর্তব্যরত লোকদের বরাদ দিয়ে এসআই আবুল কালাম আজাদ আরো জানান, ওই মেয়েটিকে ফ্যাক্টরীর মালিকের বাসায় কাজের লোক হিসেবে নেয়ার জন্য করোনাভাইরাস জনিত কারণে কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছিলো ১০ দিন আগে। ১৪ দিন পর মেয়েটিকে ঢাকায় বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এরই মধ্যে সে কেনো আত্মহত্যা করেছে, তা কেউ বলতে পারছেননা। থানায় ইউডি মামলা (নম্বর-৫৪, তারিখ-২৪-০৭-২০) রুজুর পর ময়না তদন্তের জন্য শনিবার সকালে লাশটি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে শনিবার সকালে এই বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থলে গেলে ফ্যাক্টরীর ভেতর কাউকে ডুকতে দেয়া হয়নি। এমনকি শিল্প পুলিশের লোকজন ভেতরে ডুকার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়ে ফিরে যান। তাছাড়া এ ব্যাপারে জানার জন্য ফ্যাক্টরীর দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার শাহিনকে তার মোবাইল নম্বরে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার মন্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আছমত আলী জানান, নিহতের পরিবারের সাথে কথা হয়েছে, মেয়েটার মাথায় নাকি একটু সমস্যা ছিলো, তাই হয়তো সে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে স্থানীয় লোকজন জানান, মেয়েটি আত্মহত্যা করলেও ঘটনাটি রহস্যজনক। কারণ মেয়েটিকে মালিকের বাসার কাজের জন্য নেয়ার কথা থাকলে ১০ দিন ধরে এই ফ্যাক্টরীর ভেতর কেনো রাখা হলো। কেনই বা সে আত্মহত্যা করলো। বাসায় কাজের জন্য আরো দুই মেয়েকে এই ফ্যাক্টরীর ভেতর রাখা হয়েিেছলো। মেয়েটি মারা যাওয়ার পর ওই দুই মেয়েকে কোথায় নেয়া হলো? তাছাড়া ফ্যাক্টরীর সংবাদকর্মী বা পুলিশ কাউকে ভেতর ডুকতে না দেয়ার কারণই বা কি!

Share.

Comments are closed.