Girl in a jacket

ভালুকায় পিডিবি ও পল্লীবিদ্যুতের লোডশেডিং : ভূগান্তিতে গ্রাহক

0

স্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তাঃ-

ময়মনসিংহের ভালুকায় বিডিবি ও পল্লীবিদ্যুতের অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভূগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে পল্লীবিদুতের লোডশেডিং মারাত্মক আকার ধারণ করছে। বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধি ও চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ থাকার পরও রহস্যজনক লোডশেডিং ও লোভোল্ডেজ খোদ গ্রাহক সমাজের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে মানুষ ঘরেই থাকছে সারা দিন। কিন্তু ঘরে থাকাকে দুর্বিষহ করে তুলছে বিদ্যুতের এই লোডশেডিং। অনেক এলাকার গ্রাহকরা অভিযোগ করছেন, প্রায় প্রতিদিনই অন্তত চার পাঁচবার বিদ্যুত চলে যাচ্ছে এবং লম্বা সময় পার করে আবার আসছে। করোনা পরিস্থিতিতে বাসায় অবস্থানের সময় এই ভোগান্তি মেনে নিতে পারছেন না তারা। গত কয়েকদিন ধরেই এই সমস্যায় পড়ছেন গ্রাহকরা। যদিও সরকারের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো বলছে বিদ্যুতের কোনও সমস্যা নেই।

গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুত গ্রাহকরা জানান, কিছুদিন বিদ্যুত সরবরাহ ভালই ছিলো কিন্তু এখন প্রায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ যাচ্ছে। প্রথমে আমি এটাকে যান্ত্রিক ত্রুটি ভাবা হলেও এখন মনে হচ্ছে লোডশেডিং। কারণ, প্রতিদিন তো আর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ যাবে না। তাছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুত না থাকলেও অভিযোগ দেয়ার মতো কোন জায়গা নেই।

ভালুকা পৌরসভার এক বাসিন্দা জানান, প্রায় প্রতিদিন কম করে হলেও চার পাঁচবারে ৩/৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আগে এতো খারাপ লাগতো না। এখন ঘরে বসে আছি। এরপর আবার গরমও পড়ছে। এখন ভোগান্তি হচ্ছে।

ভালুকা পিডিবির নিবার্হী প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন জানান, ভালুকায় নেচারালী বিদ্যুতের কোন লোডশেডিং নেই। চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দও রয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে ট্রান্সফরমার সমস্যার কারণে অল্প সময়ের জন্য সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। তাছাড়া উপর থেকে নিদের্শনা রয়েছে, ভারি বৃষ্টি হলে মাঝে মধ্যে সরবরাহ বন্ধ রাখার জন্য।

Share.

Comments are closed.