Girl in a jacket

ভালুকায় পল্লীবিদ্যুতের অবৈধ লাইনের ছড়াছড়ি দুপুরে বিচ্ছিন্ন সন্ধ্যায় আবার সংযোগ!

0

স্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তাঃ-

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাঁশের খুঁটি ও গাছের ডাল দিয়ে  অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার ফলে প্রায়ই ঘটছে প্রানহানির মতো ঘটনা। আর এসব অবৈধ সংযোগের কারণে প্রানহানির ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ না নেয়ায় অভিযুক্ত অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা সব সময়ই পার পেয়ে যাচ্ছেন। 

জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে নিম্নমানের তারে সংযোগ দিয়ে সাইড লাইনের মাধ্যমে গাছের ডালে বা বাঁশের খুঁটি দিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছে। আর অনেকেই বিদ্যুতাড়িত হচ্ছে। কেউ কেউ মারাও গেছেন।

অবৈধ সাইড লাইন ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিনিয়তই প্রানহানির ঘটনা ঘটছে।

উপজেলার তামাট পশ্চিমপাড়া এলাকার হযরত আলীর ছেলে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পল্লীবিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ এনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এক কিলোমিটার দুর পাশের ডাকাতিয়া ইউনিয়নের হোসেনপুর থেকে তিনি গাছের ডালে তার ঝুলিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫ জুলাই শনিবার দুপুরে লাইনটি বিচ্ছিন্ন করা হলেও রহস্যজনক কারণে সন্ধ্যায় আবার সংযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

খোঁজ নিয়ে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাটাজোর বাজার পল্লীবিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসের কতিপয় অসাধূ ব্যক্তিদের যোগসাজশে বেশ কয়েক বছর আগে নাজমুল হক নামে এক ব্যক্তি প্রায় এক কিলোমিটার দুর পাশের ডাকাতিয়া ইউনিয়নের হোসেনপুর বাজারের পাশে ধনু মিয়ার মিটার থেকে গাছের ডালে তার ঝুলিয়ে তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ এনেছেন। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫ জুলাই শনিবার দুপুরে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন তার বাড়িতে গিয়ে লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। কিন্তু ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত নাজমুল হক আবারো সংযোগ দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করছেন বলে স্থানীয়রা জানান। তাছাড়া, একই এলাকার আব্দুল হামিদ, জয়নাল, আব্দুল মালেক ও ছালাম মিয়া হোসেনপুর গ্রামের মুকছেদ খলিফার মিটার থেকে, মেহেদী হাসান কালা মিয়ার মিটার থেকে ও রুহুল আমিন আব্দুল বারেকের মিটার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দুর পাশের ডাকাতিয়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রাম থেকে গাছের ঢালের মধ্যেমেবিদ্যুৎ লাইন এনে বহুদিন ধরে ব্যবহার করছেন।   এ ব্যাপারে বাটাজোর বাজার পল্লীবিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসের এজিএম শাহীন আলম সংযোগ নাজমুলের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, পরবর্তিতে তিনি আবারো সংযোগ লাগিয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই। অন্যান্য অবৈধ সংযোগের বিষয়ে তিনি জানান, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপারে খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হলে এমনিতেই অবৈধ সংযোগ কমে আসবে।

Share.

Comments are closed.