Girl in a jacket

ভালুকায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসল ও গাছপালার ক্ষতি

0

আসাদুজ্জামান ফজলু, দিগন্তবার্তা, ৩০ মার্চ :-
ময়মনসিংহের ভালুকায় কালবৈশাখী ঝড়ে উঠতি বোরো ফসল ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উপর দিয়ে এই কালবৈশাখী ঝড় ও ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিআর-২৮ জাতের উঠতি বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া আমের মুকুল ও সব্জি বাগানের ব্যাপক ক্ষতিসহ বিভিন্ন স্থানে বহু গাছ ও ডালপালা ভেঙে পড়েছে।
উপজেলার ধামশুর হালিমুন্নেছা চৌধুরানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা নিনা জানান, তার পৌরসভার মেজরভিটা এলাকার বাসার ছাদবাগানের হিমসাগর আমগাছের সবগুলো গুটি পড়র গেছে।
ভালুকা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম শাহজাহান সেলিম জানান, শিলাবৃষ্টিতে তার ভান্ডাব গ্রামে অবস্থিত আম বাগানের বারি, হিমসাগর, আম্রপালী ও ফজলীসহ বিভিন্ন প্রজাতীয় ১১০ টি গাছের প্রায় অর্ধেকের বেশি গুটি ঝড়ে পড়েছে। উপজেলার ধীতপুর গ্রামের শিক্ষক আক্কাছ আলী জানান, তার কমলা, মাল্টা ও আম বাগানের শতাধিক গাছের প্রায় ৭০ শতাংশ গুটি শিলায় ঝড়ে পড়েছে।

ভালুকা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড টিএন্ডটি রোডের বাসিন্দা আক্তার উজ্জামান মজনু জানান, তার বেশ কয়েকটি আম, লিচু, কমলা ও লেবু গাছের মুকুুল ও গুটি ঝড়ে পড়েছে।


ভালুকা উপজেলা কৃষি অফিসার নারগিস আক্তার জানান, ভালুকা উপজেলার বিশেষ করে পৌরসভা, রাজৈ, বিরুনীয়া, ধীতপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। তবে ফসলের তেমন ক্ষীত হয়নি। রাত সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত প্রায় এক ঘন্টায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। তিনি আরো বলেন, শিলাবৃষ্টির কারণে থোর ধানের গুুুুছাগুলো ফেটে যাওয়ায় ব্লাস্ট নামক ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভভাবনা দেখা দিতে পারে।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্ সালমা খাতুন জানান, ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাইনি। তবে উপজেলার নয়নপুর ও ধীতপুর থেকে দু’একজন ফোন করেছিলো শিলায় ক্ষতির ব্যাপারে।

Share.

Comments are closed.