Girl in a jacket

ভালুকায় ছাটাইয়ের প্রতিবাদে কটন গ্রুপের শ্রমিকদের আবারো বিক্ষেভ

0

ময়মসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ির আমতলী এলাকায় অবস্থিত কটন গ্রæপের শ্রমিকরা ছাটাইয়ের প্রতিবাদে আবারো রোববার সকালে মিলগেইটে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ও শিল্পপুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মালিক পক্ষের সাথে কথা বলে দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেয়া হলে দুই ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আন্দেলানরত শ্রমিক ও স্থানীয় জানা যায়, উপজেলার হবিরবাড়ির আমতলী এলাকায় অবস্থিত কটন গ্রæপের প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। কোন কারণ ছাড়াই পর্যায়ক্রমে শ্রমিক ছাটাই শুরু করে কটন মিলস কর্তৃপক্ষ। রোববার পর্যন্ত দেড় হাজার শ্রমিক ছাটাই হয়ে গেলে, ছাটাইকৃত শ্রমিকরা সকালে বকেয়া মে মাসের বেতন পরিশোধ ও চাকুরী পূর্ণবহালের দাবীতে মিল গেইটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ পুলিশসহ মালিক পক্ষের সাথে কথা বলে বকেয়া বেতন ও চাকুরীতে পূর্ণবহাল করা হবে এই আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, কোন কারণ ছাড়াই করোনা মহামারির সময় মিল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে ছাটাই শুরু করে। আমরা করোনা মহামারির সময় ডিউটি করার পরও ছাটাই করে। ৪ জুন বৃহস্পতিবার আমরা আন্দোলন শুরু করলে ৭ জুন আমাদের বকেয়া বেতন ও চাকুরীতে পূর্ণবহালের দিন ধার্য করে। কিন্তু আজ (রোববার) আমাদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও চাকুরীতে পূর্ণবহাল না করায় আমাদের এই আন্দোলন।


কটন মিলের অ্যাডমিন ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম জানান, তাদেরকে ছাটাই করা হয়নি। কাজ কম থাকায় কিছু শ্রমিক বাহিরে আছে। মে মাসের বেতন ৭ তারিখ পরিশোধ করা কথা থাকলেও টাকা না আসায় ১০ জুন পরিশোধ করা হবে।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, মিল এলাকায় পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।
ভালুকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মালিক পক্ষের সাথে কথা বলে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও চাকুরী পূর্ণবহালসহ যাবতীয় দাবী মেনে নেয়ায় শ্রমিকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুন দুপুরে একই দাবীতে কটন মিলের শ্রমিকরা মিলগেইটে বিক্ষোভসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছিলো।

Share.

Comments are closed.