Girl in a jacket

ভালুকায় তিতাস গ্যাস লাইনের অর্ধশতাধিক রাইজারে লিকেজ :দুর্ঘটনার আশঙ্কা

0

ভালুকা প্রতিনিধিঃ

শিল্প নগরী হিসেবে খ্যাত ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন মিল ফ্যাক্টরী ও বাসা বাড়িতে তিতাসের দেয়া গ্যাস লাইনের রাইজারে অর্ধশতাধিক গ্যাস লাইন লিকেজ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ গ্যাস বের হয়ে যাচ্ছে। ফলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা আশংকা করেছেন। তিতাস গ্যাস অফিসে মোখিক ভাবে বা লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। ভালুকা বিভিন্ন অলিগলিতে গ্যাস লাইন বা পাইপ লাইনে অসংখ্য লিকেজ থাকায় চলাচলরত মানুষের নাকে লিকেজ থেকে গ্যাসের গন্ধ পায়। এসব লিকেজের কারণে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা আশংকা করেছেন। লিকেজের কারণে প্রতিদিন যেমন গ্যাস বের হওয়ার গন্ধ মানুষের নাকে লাগার কারনে নাক চেপে চলাচলা করতে হচ্ছে। এভাবে লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে বিপুল অপচয় হচ্ছে, তেমনী অপরদিকে বৈধ গ্রাহকরা তাদের বাসা বাড়িতে ঠিক মতো গ্যাস পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ছে। এ প্রতিনিধি সরেজমিন ঘুরে একটি লিকেজ লাইনের সন্ধ্যান পান। এ নিয়ে তিতাস গ্যাস অফিসে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী গ্যাস লাইন মেরামতের জন্য ২ হাজার টাকা দাবী করেন। পরে টাকা না পেয়ে বের হওয়া গ্যাসের ষ্ট্যান্ডের রাইজারের মুখ প্লাষ্টিক কাগজ দিয়ে পেঁচিয়ে রেখে চলে যান। তারপরও গ্যাস লাইনের পাইপ থেকে গ্যাসের দুর্গন্ধ বেরা হচ্ছে। ভালুকা পৌর শহরের হাসপাতাল রোড আজিম উদ্দিন ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুল সংলগ্ন মোশারফ হোসেনের মুদির দোকানের সাথে এক বাসার পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস বের হচ্ছে এবং দোকানের সামনে গেলে বা বেঞ্চে বসলে এই গ্যাসের দুর্গন্ধ নাকে লাকে। বাসার মালিক ভালুকা তিতাস গ্যাস অফিসে জানিয়েও কোন ফলাফল পাচ্ছেন না। স্থানীয় দোকানদার মোশারফ হেসেন বলেন, তিতাস গ্যাস অফিসের লোকজন নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। তাদের আর ঘুম ভাঙ্গেনি। বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে তাদের কান খাড়া হবে। তাছাড়া পৌরসভার টিএন্ডটি রোডেও রাইজার লিকেজ হয়ে গ্যাস বের হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিযয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্র্রিবিউশন কোম্পানীর ভালুকা অফিসে ম্যানেজার প্রকেীশলী দেলোয়ার হোসেন জানান, যার রাইজারে লিকেজ আছে, তিনি লিখিতভাবে জানালে, সাথে সাথে লোক দিয়ে সমস্যা সমাধান করে দেয়া হবে।

Share.

Comments are closed.