Girl in a jacket

ভালুকায় গভীর নলকূপের কমিটি দ্বন্দ্বে ৫০-৬০ একর বোরো জমি অনাবাদি থাকার আশংকা

0

ভালুকা প্রতিনিধি, দিগন্তবার্তা, ৫ জানুয়ারী :-

করোনা কালীন সংকট মুহুর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে এক ইঞ্চি আবাদী জমিও অনাবাদি না রাখার আহবান জানিয়েছেন সেখানে ভালুকা উপজেলার তালাব গ্রামে গভীর নলকূপ এর কমিটি দ্বন্দ্বে ৫০-৬০ একর বোর জমি অনাবাদি থাকার আশংকা দেখা দিয়েছে বলে এলাকার কৃষকগন অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ভালুকা উপজেলার তালাব গ্রামে বিএডিসি পরিচালিত গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিচালনা কমিটির কতিপয় ব্যক্তি দুর্নীতিগ্রস্ত ও অর্থলোভী থাকায় নতুন কমিটি গঠনের জন্য গত ২৭/১২/২০২০ তারিখে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেছে এলাকার নিরিহ কৃষকগণ ও জমিদাতা। এরই প্রেক্ষিতে ৪ জানুয়ারী তদন্তে আসেন বিএডিসির ভালুকা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান। তিনি কাদিগড় মৌজায় অবস্থিত আইডিএ ১০৪ নলকূপটি পরিদর্শন করেন এবং পরীক্ষা করে সচল অবস্থায় পান। পরে তিনি নিরিহ কৃষকদের নানা অভিযোগ শুনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। স্থানীয় কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, তার ৩ একর বোরো জমি আছে। কমিটি দ্বন্দ্বে সেচ চালু না করায় এখনো রোপণ করতে পারছেন না। গত বছর বোরো মৌসমে কাঠা প্রতি ম্যানেজার ৫০০ টাকা করে নিয়েছেন যা সেচ কমিটি অনুমোদিত নয়। প্রতিবাদ করলে মামলা হামলার হুমকি দেয়া হয়। বর্গাচাষী আলতাব হোসেন জানান, গত বোরো মৌসমে ৫০০ টাকা হারে ১০ কাঠায় ৫০০০ টাকা নিয়েছে নলকূপের ক্যাশিয়ার খোকা মিয়া। কৃষক আঃ কাদির জানান, কাঠা প্রতি ৫০০ টাকা না দেয়ায় আমার জমিতে ২ বছর যাবত পানি দিচ্ছে না। জমি দাতা হাজী আঃ বাতেন জানান, কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় আমি সেচ কমিটির সভাপতি বরাবর নতুন কমিটির আবেদন করেছি। বর্গা চাষি সিরাজ জানান, তিনি গত বছর ১৭ কাঠা জমি বোরো চাষ করেন এবং কাঠাপ্রতি ৫০০ টাকা করে পরিশোধ করেন।

বিএডিসির ভালুকা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, তদন্তে অভিযোগের অনেক কিছুরই সত্যতা পাওয়া গেছে। আশা করছি, আগামী মিটিং এ বিষয়টি সুরাহা হবে এবং কৃষকগণ তাদের চলতি মৌসুমে চাষাবাদ করতে কোন অসুবিধা হবেনা।

Share.

Comments are closed.