Girl in a jacket

ভালুকার সিডস্টোর-সখিপুর সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ চারমাস : চরম দুর্ভোগে পথচারী ও যানবাহন

0

আসাদুজ্জামান ফজলু দিগন্তবার্তা ডেক্সঃ-
ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চল ভালুকার সিডস্টোর-সখিপুর আঞ্চলিক সড়কের ১৪ কিলোমিটার নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে চারমাস ধরে। ফলে এক বছরে নির্মিত সড়কের ৭ থেকে ৮ ভাগ কাজের প্রায় সবটুকুই ভেসে গেছে গাড়ির চাকায় ও চলতি বর্ষায় পানির ঢলে। ফলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগর শিকার হচ্ছেন পথচারী ও শত শত যানবাহন। তাছাড়া নতুন গ্যাস সংযোগের নামে ব্যাপক খোঁড়াখুঁড়ির কারণে এবং সড়কের লাউতি সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় রাসআতটি দিয়ে চলাচল একদম বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ভালুকা এবং টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার সংযোগ স্থাপনকারী গুরুত্বপূর্ণ সিডস্টোর-সখিপুর আঞ্চলিক সড়ক। দীর্ঘ এক যুগ বেহাল থাকার পর, গত বছরের অক্টোবর মাসে রাফিয়া কনস্ট্রাকশনকে কার্যাদেশ দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ^ ব্যাংকের (আইডিএ) অর্থায়ণে সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রোভমেন্ট প্রজেক্টের (আরটিআইপি-২) আওতায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ কোটি ৯৫ লাখ, ৩৩ হাজার ২৩৩ টাকা। দেড় বছরে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও, এক বছরে কাজ হয়েছে ৭ থেকে ৮ ভাগ।
চার মাস ধরে সড়কের সমস্ত কাজ বন্ধ থাকায় এবং খোঁড়াখুঁড়ি করে শিল্প-কারখানায় গ্যাস সংযোগ নেয়ার কাজ চলঅর কারণে বর্তমাণে যানচালাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। তাছাড়া এই সড়কের লাউতি উপর সেতুটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার কারণে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।
স্থানীয় ভূক্তভোগী পথচারী ও যানবাহন সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক যুড় ধরে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সীমাহীন দূর্ভোগের মধ্যদিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। এতোদিন পর কাজ শুরু করেও সামান্য করে আবার চার মাস ধরে বন্ধ রেখেছে নির্মাণ কাজ। এই সড়কে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির জন্য এলজিইডির কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তার দুর্নীতি এবং অনিয়মকে দায়ী করছেন তারা।
ওই সড়কে নির্মাণ কাজের সাইড ইঞ্জিনিয়ার শিমুল জানান, তাদের মালিক একটি মামলায় জেল হাজতে থাকার কারণে চার মাস ধরে কাজটি বন্ধ রয়েছে। ইতোমধ্যে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ কাজ করা হয়েছে এবং আগামী মাস (সেপ্টেম্বর) থেকে পূণরায় শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।
তদারকি কর্মকর্তা ভালুকা প্রকৌশল অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলীইন্দু ভূষণ বিশ^াস জানান, ঠিকাদার জেলে থাকার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে আগামী মাস থেকে আবার কাজ শুরু করবে বলে ঠিকাদারের প্রতিনিধি তাকে জানান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ৭ থেকে ৮ ভাগ হয়েছিলো। যা বর্ষার কারণে ভেসে গেছে। আবারো নতুন করে ওই কাজ করে দিতে হবে ঠিকাদারের।
ভালুকা উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, ঠিকাদার একটি মামলায় জেলে থাকার কারণে চার মাস ধরে কাজটি বন্ধ রয়েছে।

Share.

Comments are closed.