Girl in a jacket

ভালুকার সফল মাল্টাচাষি রমজান আলী ফকির

0

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাল্টাচাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে মোহাম্মদ রমজান আলী ফকির।পাহাড়ি ফল হিসেবে পরিচিত মাল্টা। তবে সমতল ভূমিতেও এ ফলের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ‘মাটির গুণাগুণ ঠিক থাকলে সমতল এলাকাতেও মাল্টা চাষ করে লাভবান হতে পারেন যে কেউ এমনটিই জানিয়েছেন রমজান আলী ফকির। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয় ও সহজলভ্য একটি ফল হচ্ছে মাল্টা। এ ফলটি সারা বছরই পাওয়া যায়। তাছাড়া দামেও বেশ সস্তা। পাশাপাশি বিভিন্ন ভিটামিনসহ মাল্টার অনেক পুষ্টিগুণও রয়েছে।  

ভালুকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মাল্টা চাষি মো: আব্দুল জব্বার ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ রমজান আলী জানান, শখের বসে ২০১৭ সালে তিনি ২৬ শতক জমিতে প্রাথমিকভাবে মাল্টা চাষ শুরু করেন। ২৬ শতক জমিতে ১০ ফিট দূরত্ব বজায় রেখে ১২৫ টি মাল্টা গাছ লাগানো হয়। লেবার খরচ, বাগানে বেড়া দেয়া ও বছরে ৩-৪ বার সার দেয়াসহ প্রায় আড়াই বছরে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। গাছ লাগানোর প্রথম বছরেই ফল আসতে শুরু করে। তবে প্রথম বছর ফল সংগ্রহ করেননি তিনি। দ্বিতীয় বছর প্রচুর পরিমাণে ফল আসে। চলতি বছরের আগস্টের শেষের দিকে ফল পরিপক্ক হবে। ফলের পরিপক্কতার সাথে সাথে ফলের গাড় সবুজ বর্ণ, হালকা সবুজ বর্ণে বা ফ্যাঁকাসে সবুজ হতে থাকে। বারি মাল্টা-১ সেপ্টেম্বর- অক্টোবর মাসে আহরণ করা যায়। দেখতে কাঁচা হলেও এর স্বাদ মিষ্টি। বিদেশি মাল্টার চেয়ে এ মাল্টা রসালো ও বেশ সুস্বাদু। এ বছর তিনি কলমের মাধ্যমে পাঁচশত চারা তৈরি করেছেন। তিনি তার মাল্টা বাগান আরো প্রসারিত করবেন বলে জানিয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয় বাজারে মাল্টা কেজি প্রতি ১৭০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করে থাকি। বাগানের উৎপাদিত মাল্টা স্থানীয় বাজার ছাড়াও বাগানে এসে মাল্ট ক্রয় করে নিয়ে যাযন অনেকেই । আমি মাল্টা চাষ করে এখন সফল। ভালুকার উপসহকারী কৃষি অফিসার হাবিবুল্লাহ বাহার জানান, মাল্টাচাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। আর ভালুকার মাটি এ ফলটি উৎপাদনে খুবই উপযোগী। রমজান আলী ফকির একজন ভাল চাষী, তিনি গাছের খুবই কেয়ার করেন। আশা করছি, মাল্টাচাষ করে ভবিষ্যতে তিনি সফল হতে পারবেন।

Share.

Comments are closed.