Girl in a jacket

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পুরণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে- মেয়র টিটু

0

জহিরুল কাদের কবীর, স্টাফ রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী তাঁতীলীগের উদ্যোগে  জাতীয় শোক দিবস-২০২০ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী  উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে-ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের জনপ্রিয় মেয়র ও মহানগর আওয়ামিলীগের সহ-সভাপতি ইকরামুল হক টিটু  বলেন, বাঙালি জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন লড়াই করেছেন। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত করেননি। জেল-জুলুম এবং অত্যাচার সহ্য করে তিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি এক যুগেরও বেশি সময় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। তিনি সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত, শোষিত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের অনুপ্রেরণার এক অনিঃশেষ উৎস।

সোমবার ১৭ই আগস্ট বিকাল ৩ ঘটিকায় ময়মনসিংহ সিটিকর্পোরেশন হল রুমে জেলা তাঁতীলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক  দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলা তাঁতীলীগের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম জলিলের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে শোক সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন-ময়মনসিংহের মহিলা সংরক্ষিত আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনিরা সুলতানা মনি এমপি। সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা এড. মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল

ময়মনসিংহ জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোবারক হোসেনের সঞ্চালনায় শোক সভায় ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামিলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা তাঁতীলীগের নেত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু-১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে নিহত সকল শহীদদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে  বলেন, ১৫ আগস্ট ইতিহাসের বেদনাবিধুর ও বিভীষিকাময় এক দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিনে সংগঠিত হয় বিশ্বের ইতিহাসে সব থেকে নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। জগতে আর কোনো হত্যাকাণ্ডে নিষ্পাপ শিশু, অবলা অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করা হয়নি। রেহাই দেওয়া হয়নি মেহেদি-রাঙ্গা নববধূকেও। সে সময় বিদেশে ছিলেন বলেই প্রাণে বেঁচে যান আমাদের আশার বাতিঘর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানা। সেদিন তারা বেঁচে গিয়েছিলেন বলেই আজকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। বিচার হয়েছে যুদ্ধাপরাধের । কলঙ্কযুক্ত হয়েছে দেশ। আমরা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে সারা বিশ্বে আজ স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের রোল মডেল। তিনি আগামী দিনেও চলমান উন্নয়নকে আরো এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মানে বাংলার মহিয়সী নারী, বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে  তাঁতীলীগসহ আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা আহবান জানান।

Share.

Comments are closed.