Girl in a jacket

টঙ্গী প্রেসক্লাবে আদালতের স্থিতাবস্থা জারি:বর্তমান সভাপতির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সভাপতিপদ বাতিল চেয়ে মামলা

0

গাজীপুর প্রতিনিধি:-
টঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতির পদ বাতিল চেয়ে দায়ের করা এক মামলায় গাজীপুরের অতিরিক্ত সহকারী জজ আদালত (টঙ্গী) প্রেসক্লাবের বর্তমান সভাপতির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সভাপতি পদ এবং কো-অপট করা সহসাধারণ সম্পাদকসহ উভয়পক্ষকে সাংগঠনিক সকল কর্মকান্ডে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী টঙ্গী প্রেসক্লাবের সহসাধারণ সম্পাদক এম আর নাসির জানান, সভাপতি হায়দার সরকার শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রেসক্লাবের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন এবং একইভাবে ক্লাবের নির্বাচনী মনোনয়ন ফরমে নিজেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী উল্লেখ করে সভাপতি নির্বাচিত হন। এবিষয়ে তিনি (এম আর নাসির) সভাপতি হায়দার সরকারের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সভাপতি পদ বাতিল চেয়ে গাজীপুর দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেন। আদালত কেন হায়দার সরকারের সভাপতি ও প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করা হবে না মর্মে শোকজ করেন। কিন্তু হায়দার সরকার জবাব না দিয়ে একের পর এক সময় প্রার্থনা করে আসছেন। অবশেষে গত রোববার উভয়পক্ষের শুনানীর ধার্য তারিখেও বিবাদীপক্ষের আইনজীবী জবাব দাখিলের জন্য আরো সময় প্রার্থনা করলে আদালত সময়ের প্রার্থনা না মঞ্জুর করেন এবং লিখিত আপত্তি দাখিল না করা পর্যন্ত নালিশী বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য উভয়পক্ষকে নির্দেশ দেন।
এম আর নাসির আরো বলেন, সভাপতি পদ ব্যবহার করে হায়দার সরকার ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এসব বিষয় তিনি নির্বাহী কমিটির সভায় ও সাধারণ সদস্যদের মাঝে উপস্থাপন করায় তাকে (নাসিরকে) মিথ্যা অভিযোগে ও এখতিয়ার বর্হিভূতভাবে বহিষ্কার করা হয় এবং তদস্থলে অবৈধভাবে অন্য সদস্যকে কো-অফট করা হয়। এমনকি যারাই সভাপতির অনিয়ম দুর্নীতির প্রাতিবাদ করেছেন এমন প্রত্যেককেই বহিষ্কারের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী গাজীপুর বারের কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেড তোফাজ্জল হোসেন বলেন, বিজ্ঞ আদালতের এই নির্দেশের ফলে সভাপতি ও সহসাধারণ সম্পাদক(কো-অপট)-সহ উভয়পক্ষ সাংগঠনিক কোন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারবেন না।

Share.

Comments are closed.