Girl in a jacket

গফরগাঁওয়ে মশার আক্রমন ও বিদ্যুৎতের ভেলকিবাজিতে অসহায় জনগন

0

এম,কামরুজ্জামান (লিটন) গফরগাঁও:-
ময়মনসিংহে গফরগাঁওয়ে মশার আক্রমনে বাসা বাড়িতে কিংবা অফিসে সর্বত্রই মশার রাজত্ব। গ্রাম বা শহরের মানুষজনকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে মশা। ফাল্গুনে এই খরায় মশার উপদ্রব দিনদিন বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছে, বাতাস ও বৃষ্টি না হওয়া তিনগুন বেড়েছে মশা। অপর দিকে ও বিদ্যুৎতের ভেলকিবাজিতে অসহায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাথর্ীরা। পৌর শহরে চলছে গ্যাস সংকট। মশার উপদ্রবে নাজেহাল ও বিদ্যুৎতের অসহনীয় লোডশেডিংয়ে গফরগাঁওবাসী। এই দুই কারনে গফরগাঁও উপজেলা ও পৌরবাসী স্বাভাবিক জীবন যাত্রা দার“নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দিনে রাতে সকালে ঘন্টায় ঘন্টায় চলছে বিদ্যুৎতের ভেলকিবাজি। সেই সাথে চলছে পৌর শহরে গ্যাস সংকট। মশার কামড়ে আর বিদ্যুৎতের ভেলকিবাজিতে এক অসহনীয় যন্ত্রনা। উপজেলার চরমছলন্দ গ্রামের মানিক মিয়া এ প্রতিনিধিকে বলেন, গফরগাঁওয়ে কৃষকের ইরি বোর ধান চাষের পাশাপাশি মনে হয় যেন মশার চাষ হচ্ছে। গ্রামে কিংবা শহরে মশা দল বেধে উড়ছে বিমানের মতো। গ্রাম বা শহরে মশার যন্ত্রনা সবচেয়ে বিপাকে পড়ছে মাদ্রাসার ছাত্র, স্কুল, মাধ্যমিক,উচ্চ মাধ্যমিক পড়–য়া শিক্ষাথীরা। মসজিদে নামাজ পড়–য়া মুসলি­রা নামাজে দাঁড়িয়ে মশার কামড় থেকে রক্ষার জন্য পা ঘঘে। মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে লেখাপড়া করছে শিক্ষাথর্ীরা। পৌর শহরের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম জানান, মশার যন্ত্রনা আমরা পৌরবাসী অতিষ্ঠ। চা ষ্টলেও বসেও মশার যন্ত্রনা ভালো করে চা পান করা যায় না। তবে ভারী বৃষ্টি হলে মশা কমে যাবে বলে আমি আশা করি। চরমছলন্দ গ্রামের জামাল উদ্দিন বলেন, গ্রামগঞ্জে চার দিকে ইরি বোর রোপন করায় আর ফাল্গুন মাসের বাতাস না থাকায় মশার উৎপাত বেড়ে গেছে চারগুণ। রাতে গোয়াল ঘরেও মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখলেও মশা যাচ্ছে না। অপর দিকে গফরগাঁও পিডিবি ও পল­ী বিদুৎ অফিস সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে বিদ্যুৎতের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় এতে বিদ্যুৎতের তী্রব লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

Share.

Comments are closed.